Posts displayed of the category:
Kobiclub15 Nov 2008
স্বপ্ন ঘরে এসে পরে
ডাকলো মোরে নিবির ভাবে
কাছে এসে পাশে বসে
জ্বাললো বাতি বিজলী সাজে।
চিত্ত মম ক্ষীন সম
নির্বাক হয়ে তাকালো তায়
কি সে জ্যোতি হৃদ ভেদী
হল আলোকিত অন্তরায়।
পেয়ে সুদা মন ক্ষুদা
মিটে গেল জনমের লাগি
কাদি বসে নিত্য সাজে
পাই যেন আমি সদা মাগি।
হায় সাকী রেখ বাধি
তোমার সেই সূরা খানায়
আমি পাপী হার জপি
হৃদয়ারতি তোমার পায়।
সত্য যত গুপ্ত তত্ত্ব
দিও প্রিয় তব দয়া গুনে
পাপী নিত্ত্ব আছি মত্ত্ব
তোমার চরনের পানে চেয়ে।
ভাঙ্গা তরী মহা নদী
আধার ঢেওয়ে কাদি একা
তুমি সাকী আমি মেকী
দিও তব চরন তরী দেখা।
15 Nov 2008
আজি তোমা বিহনে কেমনে কাটাই নিশি
আধার রজনি, কাটেনা সজনী
ডাকি সকাতরে, আসনা অন্তরে
তোমারি প্রহর গুনে আছি যে একা বসি।।
রাত্রি ফুরায়ে এল সজাগ হবে যে ধরা
আমি একা পরে, ছটফট করে
হয়ে নিরুপায়, তোমারি আশায়
তোমাতে বিলীন হয়ে আমি মিটাব ক্ষুদা।।
ব্যথাতুর ভগ্ন হৃদয় দাও প্রেমে ভরে
মাতাল করিয়া, নাও না তুলিয়া
প্রেমের মন্দিরে, নিঃশব্দে গোপনে
কর না পার তব চরণ তরীতে করে ।।
15 Nov 2008
সাকী দাওনা আজ মাতাল করে
তোমার ঐ চরণ-রুপের মায়াজালে
অমৃত সুদা দাওনা পিয়ালা ভরে
দেখাওনা সাজ, আজ রুপের কারুকলে।
ভরিয়ে দাওনা গুপ্ত হৃদয় প্রেমাবেগে
নাওনা কাছে দিল-শরাবে মত্ত করে
মালি কর না আমায় তব চরণ-বাগে
মদির সুবাসে হিয়া মম যাক না ভরে।
সাকী তব নেশায় মাতাল করে
দাওনা কাটিয়ে আধার পার করে
প্রেম নদীতে রেখে শরাব চারিধারে
ভাসায়ে রাখনা তুমি অধমেরে।
মদের পিয়ালা খালি যে আছে পরে
আমি একা কাতরে মরি শুন্য ঘরে
দাওনা বিন্দু শরাব এই অন্তরে
আসনা তুমি রুপ নিয়ে মোর বাসরে।
সাকী দাওনা শরাবে শরাবে পুর্ন করে
রেখনা আর আমায় আধার ঘরে
রুপের ঝলক দাওনা প্রান গহ্বরে
পিলাও সঞ্জিবনী প্রেম আসরে।
21 Sep 2008
মানসী,
আজ কত দিন হয় তোমার সাথে দেখা হয়নি,
মনের কথা খুলে বলতে পারিনি।
কি যেন কানে কানে বলতে চেয়েছিলে,
যে দিন তিলাঞ্জলি বলেছিলাম,
আমি জানতাম সে বিদায় শেষ বিদায় ছিল,
আমি জানতাম তারপর আর দেখা হবেনা,
হলেও অজানার মত হবে,
তবুও বলেছিলাম আবার দেখা হবে।
কত কথা মনে জমেছে কত চিন্তা মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে,
বলব কা'রে চিন্তার প্যাঁচে কা'রে পেঁচাব জানিনা,
মনের কথা খুলে বলতে পারিনি,
মনে আজ চিন্তার ঢেউ দেয় দোল,
আর কি লিখব জানিনা
আজ এখানেই টানছি ইতি কবিআব্দুল।।
21 Sep 2008
ধীরগামিনীর মত হাবভাব তোমার বিধুবদন গম্ভীর ও বিষণ্ণ,
চিন্তা ক্রোধ প্রভৃতি কারণে নিরানন্দ হয়ে গোমড়া মুখে কথা বল কেন?
জলদগম্ভীর কণ্ঠস্বর, কথায় গুরুগম্ভীরতা, চলনে গম্ভীর ভাব,
ঘোরালো মুখ তোমার ডাগর নয়নে ক্রোধ অভিমানে ভরা,
ধ্যানগম্ভীর চাল দেখে মনে হয়, তুমি গম্ভীর প্রকৃতির নারী।
তোমাতে চপলতা এবং লঘুতার অভাব আছে,
পরিবেশের যত গাম্ভীর্য তোমার মাঝে,
তবুও তুমি প্রাণবন্ত এবং প্রশান্তভাবে ধ্যানরত।
বিচ্ছেদ তোমার অনুপস্থিতিতে যে দিকে তাকাই সবি শূন্য লাগে,
শূন্যতায় অসন্তোষহেতু অপ্রসন্নতা পরিবেশে গাম্ভীর্যতার সূচনা করে,
তোমার বিরহে বিষাদগম্ভীর পরিবেশে বসত করে আমিও ভাবগম্ভীর হব।
22 Aug 2008
আমি বললাম, "ঐ বইটি পড়েছ?"
তুমি বল, "আমি ঐ সব বই পড়ি না।"
কেন?
কারন মনটাকে যে যায় না তবে বাঁধা।
আমি বললাম, "তুমি কি জান ওরা ওখানে কি করে?"
তুমি বল, "আমি শুনতেও চাই না"।
কেন?
"তবে যে মনে ছেঁয়ে যায় সহস্র অস্থিরতা"।
আমি বললাম, কেমন লাগে আপন নীড়ে?
তুমি বল, এটাতো আমার নয়।
কেন?
মেয়েদের কি হয় কোন আপন ঠিকানা।
আমি বলি, "তবেতো আছ বেশ সুখে!"
তুমি বল, "আমার না এসব লাগে না ভাল"
আমি কারন শুধাই না।
শুধু বলি, "শুরুতে এমন সবারই হয়"
তুমি মিস্টি করে হাস।
আমি বলি, "তোমরা এমন কেন?"
তুমি বল, "এভাবেই যে বেঁচে থাকতে হয়"।
আমি হালকা দীর্ঘশ্বাস ফেলি।
লজিকের বইটা পাশে ফেলে দেই, কারন
আমাকেও এভাবেই বাঁচতে হবে।
13 Jul 2008
সপ্ত পারাবার তেপান্তর পাড়ে, ভিন দেশ প্রবাসে এসেও মোরা,
ভুলিনি মাতৃভাষা প্রাণের চেয়েও প্রিয় স্বদেশ।
মৌনক্ষণ ক্লান্তসততে বসলে নিরানন্দে,
নিশ্বাসে পাই মা বাংলার নৈর্সগে আভাস।
যেথা সদা দিনে মরীচিমালী হাসে রাতে নিশাকান্ত সাথে শশী,
আলো জ্যোৎস্না পাথারে ভাসে,
যেন যুগল সখা সখি, ওদের বুকে নেই দীর্ঘশ্বাস।
ষড় ঋতুতে নবমী বাহারে সাজে দেশ মোদের হরষি স্বর্গীয় সাজে,
নব নব রং রাগ চৌপাশে বিরাজ পুষ্প সুবাস,
যেন হেথায় লক্ষ সূর্যার বাস, জানি কভু হবেনা এই চির সুন্দরের হ্রাস।
মরণেও শমনের সামনে গাইতে পারি যেন বাংলায় আল্লার জয়গান,
বাঙালী বেশে স্বাধীন মাটিতে যেন ঠেকি মাথা মূর্খ মনের গর্ব করতে নাশ।
এই তাপী প্রাণের মিনতি, বাস্তব হয় যেন মোর এই অবকাশ।
হে মোর স্বজাতি দুঃখ ভুলে স্বার্থ ত্যাগে রিষ্টি দূরে এসো সবে মিলে,
বিশ্ব বিরানে নয়ন জল ঝরিয়ে স্বর্গধ্যান সাজাতে,
ফুটিয়ে গোলাপ শিউলি শাপলা পলাশ সুবাসে করি মোদের দেশ বিকাশ॥
11 Jul 2008
এইতো সেদিন, তোমারই জন্যে
কেটেছে কত বিনিদ্র রজনী।।
এইতো সেদিন, তোমারই সাথে
ছাড়তে চায়েছি ধরণী।।
এইতো সেদিন, তোমারই হাসিতে
পেয়েছিলাম স্বর্গ।।
এইতো সেদিন, তোমারই স্পর্শে
হয়েছিলাম বন্য।।
তবু,
এইতো সেদিনই, তোমারই পথে চেয়ে
কাটালাম কত যে বেলা।
এইতো সেদিন, তোমারই কারনে
উড়ল কত যে ধূয়া।।
এইতো সেদিন, তোমারই কারনে
ধেয়ে এল সেই নোনা জলের বান।
এইতো সেদিন, আমারে ফেলে
সেই বানেতে ছাড়লে নতুন ভেলা।
তাই এই সেইদিনই,
নাও ঘুরালাম, নদীর সেই নতুন বাঁকে,
শুধু এই আশায়, যেন দেখা হয়
তোমারই কোন, নতুন রুপের সাথে।।
বিবর্তনবাদী~
ডিসেম্বর ২৮, ২০০৭
10 Jul 2008
[মরহুমা সাবেরা ইয়াসমিন (পাপড়ি)]
আলোকিত চারিদিক
নেই কোন কালো।
ছড়িয়ে যে পড়েছে
জোৎস্নার আলো।
ভেদ করে পাহার-গাছ
জোৎস্নার আলো আসে ।
তাই দেখে সবুজ ঘাস
মিটমিট হাসে।
প্রতিটি গ্রাম আজ
আলো দিয়ে গাঁথা।
পেয়ে আলো ঝিরিঝিরি,
নাচে বাঁশের পাতা।
নিস্তব্দ সত্মা গ্রাম কারও
নেই কোনও সারা।
আলো দিয়ে সেজে আছে
শত শত পাড়া।
জোৎস্নার আলোতে বাংলার
জল ভরা দিঘি স্থির।
রুপসী চাঁদখানা যেন
শুধুই শান্তিও নীর।
জোৎস্নার আলো গ্রহন করতে
কারও নেই আজ বাঁকি।
বাংলার গ্রামে আজ জোৎস্নার
বন্যা এল নাকি?
মাঠ-ঘাট সবকিছু শুধু
জোৎস্নায় ভরা।
সারা বিশ্ব যেন শুধু
জোৎস্নায় গড়া।
তামাশা দেখছি জোৎস্নার,দাড়িয়ে
প্রকৃতির সাথে।
তুমিও মুগ্ধ হবে এলে গ্রামে
জোৎস্না রাতে।
10 Jul 2008
[মরহুমা সাবেরা ইয়াসমিন (পাপড়ি)]
কেন আজ জ্বলেনি এ চোখে
আনন্দেও আলো?
মুখ কেন আজ হয়ে আছে
আধার সমকালো ?
কোনও ডাকের আজ
নেই কোনও সারা।
শোকার্ত আজ মনের
গ্রামের প্রতিটি পাড়া।
হারিয়ে গেছে বুঝি
মুখের লাবন্যময় হাসি।
চোখ থেকে ঝরছে
অশ্রু রাশি রাশি।
কে করিল আজ
এমন সর্বনাশা?
কে করিল সব
শান্তি গ্রাস?
কেড়ে নিল কে আজ
সব শান্তি সুখ,
যার কারনে আধারে ঢাকা
আজ হাস্যোজ্বল মুখ।
কে সেই নিষ্ঠুর?
যার নেই কোনও মায়া।
এমন আনন্দময় জীবনের মাঝে
নামিয়ে দিল যে, বিষাদের ছায়া।
2010-03-12 @ 01:38:42 am
by mai
Ed Hardy clothing often use some ...
2010-03-11 @ 08:57:49 am
by ed-hardy
Ed Hardy clothing often use some ...
2010-03-11 @ 08:40:45 am
by ed-hardy
You will become more and more ...
2010-03-11 @ 02:09:22 am
by mai
You will become more and more ...
2010-03-11 @ 02:01:39 am
by mai